ক্লাসে শব্দ করায় ছাত্রের ওপর এসিড নিক্ষেপ শিক্ষকের

ক্লাসে শব্দ করায় ছাত্রের ওপর এসিড নিক্ষেপ শিক্ষকের

ক্লাসে শব্দ করায় ছাত্রের উপর এসিড নিক্ষেপ করেছেন শিক্ষক। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রকে হাসপাতালে ভর্তির করা হয়েছে। হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মঈন উদ্দিন ক্যামিস্ট শাখার নবম শ্রেণির ছাত্র। সে শহরতলীর বড় বহুলা গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে। এদিকে উক্ত ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখে।
হবিগঞ্জে এক শিক্ষার্থীর গায়ে এসিড নিক্ষেপ করেছেন আব্দুল কাইয়ুম নামের এক শিক্ষক। শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ১১টার দিকে হবিগঞ্জ টেনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত মঈনুদ্দিন আহমেদকে (১৫) হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে শহরতলীর বড় বহুলা গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে মঈন উদ্দিন ল্যাবে ক্লাস করতে যায়। এ সময় টেবিলে জোরে শব্দ করায় শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম তার শরীরে এসিড ছুড়ে মারেন। তাৎক্ষণিক অন্যান্য ছাত্ররা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

পরে ওই শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। তারা প্রায় ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। দুপুর দেড়টায় শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুমকে পুলিশ আটক করলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।

এসিডে দগ্ধ মঈনুদ্দিন জানায়, টেবিলে হাত দিয়ে জোরে শব্দ করলে শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম রাগের মাথায় তার শরীরে এসিড ছুড়ে দেন।

সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ দাশ জানান, পিঠের উপর থেকে বেশ কিছু অংশ এসিডে ঝলসে গেছে।

হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কেমিস্ট ল্যাবে শনিবার প্র্যাক্টিকেল ক্লাস চলছিল। এ সময় ওই ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক বলছেন পানি মনে করে তিনি ছুড়ে মেরেছিলেন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে সেখানে এসিড ছিল। বিষয়টি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।