সাকিব-মুশফিককে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিককে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। রশিদের বল ডিফেন্স করতে চেয়েছিলেন সাকিব। কিন্ত বল তার ব্যাটের ফাঁক গলে প্যাডে আঘাত হানে। ফিল্ডারদের জোড়ালো আবেদনে আউট দেন আম্পায়ার। সাকিব রিভিউ নিয়েও বাচতে পারেননি।
সাকিবের বিদায়ের পর বড় ভরসা ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু রশিদ খানের বলে তিনি বিদায় নিলেন দ্বিতীয় বলেই। রশিদের বলটি ডিফেন্স করেছিলেন মুশফিক। বল তার পায়ের অগ্রভাগে বা পিচে পড়ে যায় শর্ট লেগের হাতে। ক্যাচের আবেদন করেন আফগানরা। মাঠের আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পাঠান তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। তবে তার সফট সিগন্যাল ছিল আউট।সেই সফট সিগনাল বদলানোর মতো নিশ্চিত প্রমাণ পাননি তৃতীয় আম্পায়ার। বিদায় নিতে হয় মুশফিককে।

সৌম্য সরকারের পর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেই সাফল্য পান রশিদ খান। রশিদ উড়িয়ে মারতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। এর আগে সৌম্য সরকারকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ৩৮ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভেঙেছেন মোহাম্মদ নবী। নবির জোরের ওপর করা ডেলিভারি টার্ন না করে সোজা ভেতরে ঢোকা বল জায়গায় দাঁড়িয়ে খেলতে গিয়ে মিস করেন ১৭ রান করা সৌম্য সরকার। ফিল্ডারদের জোড়ালো আবেদনে আউট দিতে খুব একটা ভাবতে হয়নি আম্পায়ারকে।

লাঞ্চ বিরতির আগে চার ওভার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। পেসার ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা হয় উইকেটকিপারের গ্লাভসে। কোনো রান তোলার আগেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪২ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। দেশের হয়ে রহমত শাহ ১০২, আসগর আফগান ৯২ ও অধিনায়ক রশিদ খান ৫১ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল ইসলাম চারটি, সাকিব আল হাসান ও নাঈম ইসলাম দুটি করে এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।