ত্রিশের পরেও ধরে রাখুন ত্বকের কোমলতা

ত্রিশের পরেও ধরে রাখুন ত্বকের কোমলতা

নিজের চেহারা সুন্দর কে না দেখতে চায়। ত্রিশ বছরের পর স্বভাবতই কোমলতা কমতে থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বক তার কোমলতা হারাতে শুরু করে। আর তাইতো ত্বকের কোমলতা হারালে মন খারাপ হয় আমাদের। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে না দিতে চাইলে আপনাকে হওয়া চাই যত্নশীল।

বয়সের সঙ্গে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়। তাই নিয়ম করে রোজ ২.৫ লিটার পানি খাবেন। তাছাড়া যেকোনো ফলের রস বা ডাবের পানি জাতীয় পানীয় রাখুন রোজকার ডায়েটে। সপ্তাহে অন্তত দুদিন হাইড্রেটিং স্লিপিং মাস্ক লাগিয়ে শুতে যান। মনে রাখবেন ক্লে মাস্ক লাগালে ত্বক বেশি শুকিয়ে যায়। তাই সেই প্যাকে একটু মধু যোগ করুন। কিংবা ধোয়ার সময়ে গোলাপজল বা দুধ দিয়ে ধুতে পারেন। ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাইট ক্রিম আর আই ক্রিম ব্যবহার করবেন। নিয়মিত আন্ডার আই ক্রিম লাগানো অভ্যেস করুন। চোখের আশপাশের চামড়া বাকি মুখের তুলনায় অনেক বেশি নরম। তাই বয়সের ছাপও এখানেই সবচেয়ে আগে পড়ে। আই মেকআপ তোলার সময়ে বেশি ঘষাঘষি করবেন না। ক্লিনজিং মিল্কের বদলে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে আলতো ম্যাসাজ করে মেকআপ তুলুন। রোদে বেরোলে অবশ্যই রোদচশমা পরবেন।

বিউটি রুটিনে ভালো সেরাম যোগ করুন। বাজারে অনেক ধরনের সেরাম পাওয়া যায়। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী সেরাম বাছতে হবে। টোনারের পর আর ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে সেরাম ব্যবহার করবেন দুইবেলা।

ত্বকে কোনোরকম সমস্যা হলে ফেলে না রেখে ডার্মাটোলজিস্টের কাছে অবশ্যই যাবেন। অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্টগুলোর মধ্যে রেটিনল ট্রিটমেন্ট বেশ জনপ্রিয়। পদ্ধতিটা ত্বকের কোলাজেন বাড়িয়ে আরও টানটান করতে সাহায্য করবে।

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খান। যেমন ফ্ল্যাক্সসিড, স্যামন বা ওয়ালনাট। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে অ্যান্টি এজিং গুণ রয়েছে। ত্বক ভালো রাখতে গেলে শরীরও ঝরঝরে রাখা প্রয়োজন। তাই রোজ সকালে কিছুক্ষণ যদি যোগব্যায়াম করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই।