চীনকে পাশে নিয়েই নাকি রাষ্ট্র সঙ্ঘে যাবে পাকিস্তান

চীনকে পাশে নিয়েই নাকি রাষ্ট্র সঙ্ঘে যাবে পাকিস্তান

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তানের তরফে বারবার বিরোধিতা করা হয় এই সিদ্ধান্তের। অপেক্ষা ছিল আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থনের। তবে তাও এখন স্বপ্ন। শনিবার (১০ আগস্ট) রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলে নাকোচ হয়ে যায়। এককাথায় বলাই যায় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরাট ধাক্কা।

ঠিক এরপরই পাকিস্তান আরও একবার হুঙ্কার দিয়ে বলে, পাকিস্তান এবার চিনের সমর্থন নিয়ে তারপরই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের নেওয়া কাশ্মীরের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করবে। যেই সিদ্ধান্তের ফলে তা বহুযুগ পুরনো ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস’ হারিয়েছে। পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে শুরু হয়েছে লড়াই।

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘পাক-সরকার এই বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলে যাবে। তবে তার জন্য চিনের সাহায্য প্রয়োজনীয়।’ এই বিষয়ে চিনের কি বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চিন পূর্ণ সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানকে আশ্বস্ত করেছে।’

এই বিষয়ে সমর্থন চেয়ে পাকিস্তান সরকার, ইন্দোনেশিয়া ও পোল্যান্ডের সাথেও কথা বলার কথা ভেবেছিলেন বলে জানান। এই দুই দেশই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলের অস্থায়ী সদস্য।

এর আগে আর্টিকেল ৩৭০ প্রত্যাহারের খবরে পর পাক সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। তাঁর মতে, ভারতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সমস্যার সমাধান তো হবেই না, উল্টে সমস্যা আগের থেকে আরও বেড়ে যাবে। ভারত আরও একবার কাশ্মীর ইস্যুতে জ্বালিয়ে দিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

কুরেশি আরও বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদী বিপজ্জনক খেলা খেলছেন। ওনার উদ্দেশ্য ভয়ঙ্কর।” তাঁর দাবি, পাকিস্তানের ইচ্ছা ছিল কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু ভারতের তেমন কোনও ইচ্ছা নেই।