নাফনদীর পাড়ে মিয়ানমারের পশুর ঢল

নাফনদীর পাড়ে মিয়ানমারের পশুর ঢল

মিয়ানমার থেকে আরও ১৪টি ট্রলারে করে ১ হাজার ৯৩৩টি পশু টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডরে এসেছেন। আরও দেড় হাজার পশুসহ ১১টি বোঝাই ট্রলার নাফনদীতে ভাসছে। পরিবহন কালে মারা গেছে ৩৩টি গরু ।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পযন্ত ১ হাজার ৪৮৬টি গরু ও ৪৪৭টি মহিষ এসেছে। এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক বিভাগের কমকতা মোহাম্মদ ময়েজ উদ্দিন। তিনি বলেন, কোরবানি উপলক্ষে মিয়ানমারের আকিয়াব থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে আসা গরু-মহিষ বোঝাই ট্রলারগুলো শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে ভিড় করছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটা পযন্ত ১৪টি ট্রলার থেকে পশু খালাস করা হলেও আরও ১১টি পশু বোঝাই ট্রলার নাফনদীতে খালাসের অপেক্ষায় ভাসছে। ওই ট্রলারে দেড় হাজারের বেশি পশু রয়েছে। ছয়দিন বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ১৪ টি ছোট-বড় ট্রলারে করে ২ হাজার ৯৯৮টি গরু-মহিষ এসেছিল। এর আগে গত ২৯ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পযন্ত মিয়ানমার থেকে পাচদিনে এসেছিল ৫ হাজার ৪৯৬টি গরু-মহিষ। জুলাই মাসে ৭ হাজার ৮১টি পশু এসেছিল। এসব পশু থেকে ৩৫ লাখ ৪০ হাজার ৫০০টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়।

পশু ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, সাগর শান্ত হওয়ার পর মিয়ানমার থেকে পশুর ঢল নেমেছে। এখনও পশু বোঝাই ট্রলার খালাসের অপেক্ষায় নাফনদীতে ভাসছে। রবিবার সকালেও আরও কয়েকটি ট্রলার আসার কথা রয়েছে। পশু আসার ঢল নামার কারণে স্থাণীয় বাজারে প্রভাব পড়তে শুরু হয়েছে।

একজন ব্যবসায়ী বলেন, মিয়ানমার থেকে তিনদিন-রাত ট্রলার চালিয়ে আসা পর্যন্ত পশুগুলো তেমন কোনো খাবার পায় না। এমনকি পানিও পান করতে না পেয়ে অনেক পশু মারা যাচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীদের আথিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। একজন ব্যবসায়ীর ৩৩টি গরু মারা গেছে।