বাংলাদেশের কোচ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন যারা

বাংলাদেশের কোচ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন যারা

আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সদ্য বহিষ্কার হওয়া প্রধান কোচ স্টিভ রোডসের সঙ্গে চুক্তি হলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে ৬ মাস আগেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরফলে কোচহীন হয়ে পড়েছে মাশরাফিরা।

বিশ্বকাপের আগে প্রথম কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যে স্বপ্ন নিয়ে টাইগাররা বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল শুরুটা সেভাবে করতে পারলেও, মাঝপথে এসে পথ হারায়। এর দায় তার কাঁধে দিয়েই বিদায় করা হয় রোডসকে।

রোডসের বিদায়ে কোচহীন হয়ে পড়া টাইগারদের জন্য প্রশ্ন এসে দাঁড়ায় কে হচ্ছেন পরবর্তী কোচ? রোডসের সঙ্গে বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশও বিদায় নিয়েছেন। তার সঙ্গে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে বিসিবির।

এছাড়া, কোচিং স্টাফদের সঙ্গে আলোচনায় বসে আসন্ন শ্রীলংকা সফরের আগেই চুক্তি নবায়ন করার কথা রয়েছে বিসিবির।

তবে প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শ্রীলংকা সফরের আগে প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে নিয়ে। সে ধাক্কা আপাতত সামলানোর দায়িত্ব পেয়েছেন দলের ম্যানেজার ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।

এর আগেও তিনি কয়েকবার এ দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও তিনি বারবার অস্থায়ী কোচের দায়িত্ব পালন করতে রাজি ছিলেন না।

গত ১১ জুলাই বিসিবি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রধান কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। যেখানে কে আবেদন করেছেন আর কে করেননি, তা বোঝা না গেলেও, খালেদ মাহমুদ যে করেননি, তা বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিশ্চিত করেন।

রোডসের পরে বাংলাদেশের কোচ হওয়া নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। বলা হচ্ছে রোডসের আগে হঠাৎ বিদায় নেয়া হাথুরুসিংকে পুনরায় নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

শ্রীলংকার সঙ্গে নাকি তার সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না। ফলে তাকে আবার আনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেটি শ্রীলংকার উপরও কিছুটা নির্ভর করবে। তারা চুক্তি বাড়ালে সেক্ষেত্রে তাকে আনার সুযোগ থাকবে না।

এরপরে রয়েছেন, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী। বিশ্বকাপ চলাকালীন গাঙ্গুলী বাংলাদেশকে নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে, বিসিবি তার ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিক কিছু জানায়নি।

হাথুরু আর গাঙ্গুলীর পরে রয়েছেন সাবেক কোচ জেমি সিডন্স। যিনি ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তার নেতৃত্বে দল তেমন একটা আগাতে না পারলেও, দলের ভিত গড়তে তিনি অনেক বেশি ভূমিকা রাখেন।

তবে চূড়ান্তভাবে কাকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে তা চলতি মাসের শেষের দিকে শ্রীলংকা সফরের আগেই জানা যাবে।

এ সফরের আগে যদি বিদেশি কোচ নিয়োগ দেয়া না হয়, তবে খালিদ মাহমুদকেও ভাবতে পারে বোর্ড। সেক্ষেত্রে, সাবেক এ অধিনায়কের জন্য প্রাথমিক পরীক্ষা এটি।

এদিকে, এবার কোচ নির্বাচনে কোন কিছু প্রাধান্য নয়, বিসিবি উম্মুক্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে গণমাধ্যমকে আগেই জানিয়ে রেখেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী।