সুপার ওভারের উত্তেজনা সইতে না পেরে মারা গেলেন নিশামের কোচ

সুপার ওভারের উত্তেজনা সইতে না পেরে মারা গেলেন নিশামের কোচ

লর্ডসে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনালের সুপার ওভার চলাকালে উত্তেজনা সইতে না পেরে মারা গেছেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জেমস নিশামের হাইস্কুলের কোচ ডেভ গর্ডন। বাল্যকালের কোচকে হারিয়ে টুইটারে তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন নিশাম।

সুপার ওভারে ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন নিউজিল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার। ১৫ রান তাড়া করতে নেমে একটি ছক্কা মারেন তিনি। নিশাম যখন দলকে জেতাতে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁর কোচ ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন।

ডেভের কন্যা লিওনি গর্ডন মিডিয়াকে বলেছেন, ‘সুপার ওভার চলাকালে হঠাৎ করে একজন নার্স এসেছিলেন। তিনি বলছিলেন, আমার বাবার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।

আমার মনে হয় জিমি যখন শেষ ছক্কা হাঁকায় তখনই আমার বাবা শেষ নিঃশ্বাস নিয়ে নেয়। তিনি নিশামের ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। নিশাম যা করেছে সেটা আমার বাবাকে গর্বিত করতে পারত।’

যার হাতে ক্রিকেটে হাতেখড়ি, সেই কোচকে হারিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নিশাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

‘ডেভ গর্ডন ছিলেন আমার স্কুলের শিক্ষক, কোচ এবং বন্ধু। ক্রিকেটের প্রতি তাঁর ভালোবাসা অন্যরকম ছিল। আমরা তাঁর অধীনে খেলতে পেরে ভাগ্যবান।

এমন ম্যাচের পর আপনি খুশি হতে পারতেন। আপনাকে আমি গর্বিত করতে পারতাম। সবকিছুর জন্য অনেক ধন্যবাদ। ওপারে ভালো থাকবেন।’ লিখেছেন নিশাম।

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের টানটান উত্তেজনার ফাইনাল ম্যাচটি নির্ধারিত ১০০ ওভারেও মীমাংসা না হলে শেষমেশ সুপার ওভারে গড়ায়। এরপরও টাই হওয়ায় বেশি বাউন্ডারি বিবেচনায় শিরোপা জেতে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বাউন্ডারি ছিল ২৬ টি, কিউইদের ১৭ টি।