‘মেয়েকে একা পেয়ে নষ্ট করে মে রে ফেলেছে স্কুল পরিচালক সাদী’

‘মেয়েকে একা পেয়ে নষ্ট করে মে রে ফেলেছে স্কুল পরিচালক সাদী’

মেয়েকে একা পেয়ে নষ্ট করে- অসুস্থ বড়বোনকে চিকিৎসা দিতে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন শ্রীবর্দী উপজেলার আনোয়ার জাহিদ বাবু। হাসপাতালে ইনজেকশন দেওয়া শেষে হঠাৎ দেখেন মানুষের জটলা। কৌতূহল থেকেই এগিয়ে যান। কিন্তু গিয়ে দেখেন নিজের মেয়ের ম র দে হ!

এ দৃশ্য দেখে যেন আকাশ ভেঙে পড়ে আনোয়ার জাহিদ বাবুর মাথায়। মেয়ের বেওয়ারিশ লা শ বলে হাসপাতালে ফেলে রেখে গেছে স্কুলের আয়া। তবে আনোয়ার জাহিদ বাবুর দাবি, তার মেয়েকে নষ্টের পর শ্বা স রোধ করে হ ত্যা করেছে স্কুলের পরিচালক আবু তাহা সাদী। আর এ জন্য ওই নরপি শা চসহ জড়িতদের ফাঁ সি চেয়েছেন তিনি।

গত রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নি হ ত নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া আনুশকা আয়াত বন্ধনের (১৪) ম র দে হের ময় নাত দন্ত চলাকালীন এমনটাই জানান তার পিতা আনোয়ার জাহিদ।

শেরপুরের শ্রীবর্দী উপজেলা সদরের পূর্বছনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার জাহিদ বাবু। তার মেয়ে আনুশকা শেরপুর সদরের ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। চতুর্থ শ্রেণিতে এ স্কুলে তাকে ভর্তি করানো হয়। এ স্কুলের ছাত্রী নিবাসের দু’তলার একটি কক্ষে শেরপুর সরকারি কলেজের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী রিয়ার সঙ্গে থাকতো আনুশকা।

মেয়েটির বাবা আনোয়ার জাহিদ বাবু বলেন, ‘ছাত্রীনিবাস হওয়ায় সেখানে পরিচালক আবু তাহা সাদী ছাড়া আর কেউ যেতে পারতেন না। গত শনিবার সকাল ৯টার দিকে আমার স্ত্রী সাদীর ফোন থেকে আনুশকার সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় ৫ মিনিট মা-মেয়ের কথা হয়। কথা বলার সময় আমার মেয়ে খুবই স্বাভাবিক ছিল।

তবে ওই সময় ছাত্রীনিবাসে আর কেউ ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ই আমার মেয়েকে একা পেয়ে আবু তাহা সাদী নষ্ট করে। পরে বিষয়টি ধা মা চাপা দিতে শ্বা স রো ধ করে হ ত্যা করে। এ ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত থাকলে আমি তারও কঠোর ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।’

তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- স্কুল থেকে একজন আয়া দিয়ে আমার মেয়ের ম র দে হ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক মৃ ত ঘোষণার পর ওই আয়াও সেখানে ছিল না। উপস্থিত চিকিৎসক ও পুলিশ সবারই সন্দেহ নষ্টের পর আমার মেয়েকে শ্বা স রোধ করে হ ত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে একটি হ ত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় গত শনিবার রাতেই আবু তাহা সাদী, তার স্ত্রী নাজনীন মোস্তারি নূপুর ও সাদীর ভাই শিবলীকে আটক করা হয়েছে।

তবে কেন এবং কী কারণে হ ত্যা কাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। ম র দে হে র ময় নাত দন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

সুত্র-মানব জমিন।