একা থাকাবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত এই ৪টি কাজ করুন

একা থাকাবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত এই ৪টি কাজ করুন

হার্টের রোগ কখন শরীরে বাসা বাঁধে, বোঝা মুশকিল। তা গুরুতর রূপ নিলে মরণ-বাঁচন পর্যায়ে চলে যায়। কিন্তু মাসখানেক আগে থেকেই কয়েকটি উপসর্গ আগাম জানান দেয়, খুব শীঘ্রই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে চলেছেন ওই ব্যক্তি। সারাদিন ঝিমুনি ভাব ও ঠান্ডা ঘাম হওয়া।

অনেকেই ভাবেন হজম না হওয়ার কারণেই বুকে ব্যথা হয়। কিন্তু এড়িয়ে না গিয়ে সাবধান হোন। এটিই সবথেকে বড় উপসর্গ।

দুর্বল বোধ করা ও বমি বমি ভাব হওয়া যদি নিয়মিত হতে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসককে দেখান। প্রায়ই জ্বর, গাঁটে গাঁটে ব্যথা হওয়া, মাথা যন্ত্রণা, সর্দিকাশি লেগে থাকলে সাবধান হোন।

কাজ করায় অনীহা, ক্লান্তি এক দু’দিন হতেই পারে। কিন্তু এটি রোজকার বিষয় হয়ে দাঁড়ালে অবিলম্বে হার্টের পরীক্ষা করান।

শ্বাসকষ্ট হলে অবশ্যই সাবধান হোন। অনেক দিন ধরে অনিদ্রায় ভুগলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হার্ট অ্যাটাক হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে পেটে ব্যথাও হতে পারে।

এই পানীয় একেবারে অব্যর্থভাবে কমাবে কোমরের চর্বি। বিশ্বাস না হলে, রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কোমরের মাপ নিয়ে রাখুন। তারপর ওই পানীয় খেয়ে রাত্রে ঘুমোনোর পর সকালে আবার মাপ নিন কোমরের।

আজকাল স্থূলতা প্রায় মহামারীর আকার ধারণ করেছে। আধুনিক মানুষের জীবনযাপনের ধারা এবং তাদের খাদ্যাভ্যাসই স্থূলতার প্রধান কারণ বলে মনে করেন ডাক্তাররা।

তবে মোটা মানুষদের মধ্যে অনেকে রয়েছেন, যাঁরা নিজেদের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে বিব্রত, কিন্তু ওজন কমানোর জন্য জিমে যাওয়া বা ডায়েট কন্ট্রোলে উৎসাহী নন।

তাঁরা খোঁজেন ওজন কমানোর কোনও সহজ ও ঘরোয়া উপায়। এরকম মানুষদের জন্য আশার কথা শুনিয়েছে মেডিক্যাল জার্নাল অফ অস্ট্রেলিয়ায় প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণাপত্র। গবেষণাপত্রটি হদিশ দিয়েছে এমন এক ঘরোয়া পানীয়ের, যার সাহায্যে কোমরের চর্বি রাতারাতি কমিয়ে ফেলা যাবে বলে তাঁদের দাবি।

কী ভাবে তৈরি করবেন এই পানীয়? গবেষণাপত্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী অতি সহজে বাড়িতেই তৈরি করে ফেলা যাবে প্রাকৃতিক পানীয়টি। প্রথমে জেনে নিন, কী কী লাগবে এই পানীয় তৈরিতে— ২ চা চামচ ভিনিগার (অ্যাপেল সিডার ভিনিগার হলে ভাল হয়), ১টি মৌসম্বির রস, ১ চা চামচ মধু।

এবার জেনে নিন কী করতে হবে। তিনটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিন প্রথমে। তারপর পান করুন সেই মিশ্রণ। সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন, যদি রাত্রের খাবার খাওয়ার ঘন্টাখানেক আগে এই মিশ্রণটি পান করে নিতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রের দাবি, এই পানীয় একেবারে অব্যর্থভাবে কমাবে কোমরের চর্বি। বিশ্বাস না হলে, রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কোমরের মাপ নিয়ে রাখুন। তারপর ওই পানীয় খেয়ে রাত্রে ঘুমনোর পর সকালে আবার মাপ নিন কোমরের। দেখবেন, অন্তত এক সেমি কমে গিয়েছে কোমরের আয়তন।

হপ্তাখানেকের মধ্যে চোখে পড়ার মতো রোগা হতে পারবেন। ডাক্তারদের দাবি, এই প্রাকৃতিক মিশ্রণের কাজ হল শরীরে জমে থাকা চর্বিকে গলিয়ে বর্জ্যের সঙ্গে শরীরের বাইরে বার করে দেওয়া। ফলে এই উপায়ে অতি দ্রুত হ্রাস পায় কোমরের চর্বি।





error: Content is protected !!