বেরোবি’তে সাক্ষাৎকার দিতে এসে আটক ৭ শিক্ষার্থী ​​​​​​​

বেরোবি’তে সাক্ষাৎকার দিতে এসে আটক ৭ শিক্ষার্থী ​​​​​​​

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার দিতে এসে ৭ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সাক্ষাৎকার চলাকালীন জালিয়াতির সন্দেহে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি হেয়াত মামুদ ভবন, একাডেমিক ভবন-২ ও একাডেমিক ভবন-৩ থেকে সাক্ষাৎকার বোর্ডে দায়িত্বরত শিক্ষকগণ তাদেরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেন।

পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসান।

আটককৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, গাজীপুর কাপাশিয়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে এস এম নাইম (ইউনিট- বি, শিফট, রোল- ২১৯৮৪৬, মেধাক্রম

৩), নীলফামারী কিশোরগঞ্জের মারুফ হাসান (ইউনিট- বি, শিফট-২য়, রোল- ২৭১১৮৯, মেধাক্রম ১), ঠাকুরগাঁও’র গোয়ালপাড়ার খাইরুল

আহমেদের ছেলে শাফিন আহমেদ (ইউনিট- এফ, শিফট-৪, রোল- ৬৭০৩৮৪, মেধাক্রম ২), টাঙ্গাইল গোডাউন বাজারের শাহরিয়ার ইসলাম

(ইউনিট- বি, শিফট-২য়, রোল- ২২০২০০, মেধাক্রম ৯), গাজীপুর শ্রীপুরের রাকিবুল ইসলাম শান (ইউনিট- বি, শিফট-২য়,

রোল-২১১৯৮৬, মেধাক্রম ২), টাঙ্গাইল সদরের শোয়েব হাসান (ইউনিট- বি, শিফট-৪র্থ, রোল- ২৪৬৮৫৬, মেধাক্রম ৬) ও শেরপুরের

মধ্যশ্রেরীর রাহাত মজুমদার (ইউনিট- বি, শিফট-৪র্থ, রোল- ২৪৭৬৬০, মেধাক্রম ৩৮)।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ভর্তি পরীক্ষার সময়ের হাতের লেখা ও সাক্ষাৎকারের হাতের লেখায় অমিল এবং আচরণে সন্দেহজনক মনে হওয়ায়

এই ৭ শিক্ষার্থীকে সন্দেহ করেন দায়িত্বরত শিক্ষকগণ। এসময় তাদের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অসংলগ্ন উত্তর

দেয়। পরে ৫ জন প্রক্সির কথা স্বীকার করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৭ শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম বলেন, যারা সাক্ষাৎকার দিতে এসে আটক হয়েছে তারা কেউই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ

নেয়নি। তাদের প্রবেশপত্রে অন্য কেউ পরীক্ষা দিয়ে গেছে। আটককৃতদের ৫ জন নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি

ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির সাথে একটি বড় চক্র জড়িত। এই জালিয়াতির সাথে জড়িতদের তথ্য পেতে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।