ধানের শীষের চূড়ান্ত টিকিট পেলেন সাঈদীর ছেলে শামীম

ধানের শীষের চূড়ান্ত টিকিট পেলেন সাঈদীর ছেলে শামীম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগিতে শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বিএনপি। শনিবার দিনভর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোকে ১৯টি আসন বিএনপির ছেড়ে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গণফোরামের পাঁচজন নেতাকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর ১৭ জন নেতার জোটের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে ঠিক হয়েছে বলে দলটির নেতারা জানিয়েছেন।

২০ দলের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী এবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করছে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন হারানো এ দলটি সবশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় নির্বাচন করেছিল।

গতকাল রাতে ধানের শীষের প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়। চিঠি পেয়েছেন জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদীও। তিনি পিরোজপুর-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এই আসন থেকে তার বাবা সাঈদী একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডিত হয়ে সাঈদী এখন কারাবন্দি। জামায়াতের সর্বশেষ কাউন্সিলে নায়েবে আমির পদে সাঈদীর নাম নেই।

সাঈদীর রাজনীতির পথ অনেকাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার পবিবার থেকে কাউকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করতে তৎপর জামায়াতসহ স্থানীয়রা। তাই শামীম সাঈদীকে সামনে আনা হয়েছে। অবশ্য সাঈদীর উত্তরসূরিদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নতুন নয়। তার ছোট ছেলে মাসুদ সাঈদী ইন্দুরকানি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে শামীম সাঈদীর মনোনয়নের একটি প্রত্যয়নপত্রের ছবিও মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুকে দিয়েছেন।

পিরোজপুর-১ আসনে ১৯৯১ সালে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সুধাংশু শেখর হালদার। ’৯৬ সালে তাকে হারিয়ে জয়ী হন জামায়াতের দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। ২০০১ সালেও আসনটি থাকে সাঈদীর দখলে।

এবার এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।