News Headline :
করোনা সচেতনতা তৈরিতে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করলো নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা জারি করোনায় মৃত ব্যক্তির জানাজা-দাফন নিয়ে ইফা’র নির্দেশনা ‘চিকিৎসকদের সুরক্ষা না দিলে কারও শেষ রক্ষা হবে না’ করোনাভাইরাস: মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে সেনা মোতায়েন, চৌঠা এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি, অফিস বন্ধ ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিবেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করোনা পরিস্থিতি শিথিল না হওয়া পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ অনির্দিষ্টকালের জন্য পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া স্থগিত
জুন পর্যন্ত কোনো ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা খেলাপি নয়

জুন পর্যন্ত কোনো ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা খেলাপি নয়

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়েছে করোনাভাইরাসেরর প্রভাব। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু যাদের মাথায় ক্ষুদ্রঋণের বোঝা, তারা কী করবেন? বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে তাদের। কারণ ঋণ তো পরিশোধ করতেই হবে।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। সংস্থাটি জানায়, ‘দেশের যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এনজিও বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন সেসব প্রতিষ্ঠান আগামী জুন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করতে পারবে না।’

রোববার (২২মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পাঠিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দেশের সার্বিক অর্থনীতির এ নেতিবাচক প্রভাবের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাগণের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।’

‘বর্ণিত বিষয়াবলী বিবেচনায় অত্র অথরিটি কর্তৃক এ মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি বিধিমালা , ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্ৰেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্ৰেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন, ২০০৬ এর ৯ ( চ ) ধারা ও ৪৮ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’

বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিনে দিনে এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। সবশেষ হিসাবে দেশে এখন পর্যন্ত ২৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন দুজন।

করোনার বিস্তাররোধে এরই মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মুলতবি করা হয়েছে জামিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ। এমনকি মাদারীপুরের শিবচর ও গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলাকে লকডাউন ও ঘোষণা করা হয়েছে।

নিউজ সোর্স: জাগো নিউজ