News Headline :
করোনা সচেতনতা তৈরিতে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করলো নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা জারি করোনায় মৃত ব্যক্তির জানাজা-দাফন নিয়ে ইফা’র নির্দেশনা ‘চিকিৎসকদের সুরক্ষা না দিলে কারও শেষ রক্ষা হবে না’ করোনাভাইরাস: মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে সেনা মোতায়েন, চৌঠা এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি, অফিস বন্ধ ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিবেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করোনা পরিস্থিতি শিথিল না হওয়া পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ অনির্দিষ্টকালের জন্য পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া স্থগিত
লকডাউন হলেও বন্ধ হবে না কোনো ব্যাংক

লকডাউন হলেও বন্ধ হবে না কোনো ব্যাংক

দেশের পরিস্থিতি যত খারাপই হোক না কেন বন্ধ হবে না কোনো ব্যাংক। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো শাখা বন্ধেরও অনুমতি দেওয়া হয়নি। মাদারীপুরের শিবচর ও গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর লকডাউন ঘোষণা করা হলেও ব্যাংকের কোনো শাখা বন্ধ করার অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

আজ রোববার (২২ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিশেষ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিতীনির্ধারকরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, বিশ্ব মাহামামি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সব ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ অথবা অফিসিয়াল কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তাদের ১৪ দিনের ছুটি দেওয়া হবে। এমনকি যাদের পরিবারে কোনো সদস্য বিদেশ থেকে এসেছে তাদের ক্ষেত্রেও ১৪ দিন বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তিনি আরও জানান, খুব শিগগির বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিটি বিভাগের সামনে থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ বিভাগের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের কয়েকটি শাখা বন্ধ রেখে অন্যান্য শাখাগুলো বন্ধ ঘোষণার অনুরোধ করেছিল একটি ব্যাংক। কিন্তু সেটা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ সংকটের সময়গুলোতে মানুষের টাকার প্রয়োজন বেশি হয়। সতর্কতা অবলম্বন করে সবাই ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে ও জমা দিতে পারবেন।

বৈঠক সূত্রে আরও জানা যায়, প্রত্যেকটি ব্যাংককে তাদের বোর্ড মিটিংগুলো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ করতে হবে ১০ জনের বেশি অংশগ্রহণকারী সব ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে একই স্থান থেকে সেই প্রশিক্ষণ শুরু হবে। আর যেসব প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১০ জনের কম তারা বড় কক্ষে দুই মিটার দূরত্ব বজায় রেখে প্রশিক্ষণ শেষ করবে।

সূত্র জানায়, প্রয়োজনে দীর্ধমেয়াদী বন্ডগুলো ক্যাশ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। এতে সময় হিসাব করে মুনাফা পরিশোধ করা হবে। যদিও অধিকাংশ ব্যাংকের তারল্যে কোনো সমস্য নেই। তারপরও যাদের সমস্যা হবে তারা বন্ডের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা নিতে পারবে। খুব শিগিগির এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নিউজ সোর্স: অর্থসূচক