News Headline :
করোনা সচেতনতা তৈরিতে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করলো নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা জারি করোনায় মৃত ব্যক্তির জানাজা-দাফন নিয়ে ইফা’র নির্দেশনা ‘চিকিৎসকদের সুরক্ষা না দিলে কারও শেষ রক্ষা হবে না’ করোনাভাইরাস: মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে সেনা মোতায়েন, চৌঠা এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি, অফিস বন্ধ ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিবেন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস: দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করোনা পরিস্থিতি শিথিল না হওয়া পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ অনির্দিষ্টকালের জন্য পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া স্থগিত
মারা গেছেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির প্রযোজক

মারা গেছেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির প্রযোজক

বিনোদন ডেস্ক : মারা গেছেন সর্বকালের ব্যবসাসফল বাংলা ছবি ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র প্রযোজক আব্বাস উল্লাহ। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আব্বাস উল্লাহ। মৃত্যুকালে তার বয়স প্রায় ৬৫ বছর।

আব্বাস উল্লাস ছিলেন দেশীয় সিনেমার অন্যতম সফল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনন্দমেলা চলচ্চিত্রের একজন কর্ণধার। মতিউর রহমান পানুর সঙ্গে যৌথভাবে এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন তিনি।

আনন্দমেলা চলচ্চিত্রের ব্যানারে ‘বেদের মেয়ে জোছনা’, ‘পাগল মন’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘জ্বী হুজুর’সহ অনেক দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল বাংলা সিনেমা নির্মিত হয়েছে।

ব্যক্তিগতভাবে প্রযোজনার পাশাপাশি অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেছেন আব্বাস উল্লাহ। মৃত্যুকালে আব্বাস উল্লাহ স্ত্রী-সন্তানসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন৷

জানা গেছে, এই প্রযোজকের বাবা আব্দুল হামিদ ছিলেন সাবেক বনানী পৌরসভার চেয়ারম্যান। তার নামেই রাজধানীর বনানীতে চেয়ারম্যান বাড়ির নামকরণ করা হয়েছে।

আব্বাস উল্লাহর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চলচ্চিত্র প্রযোজকদের নেতা খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘আব্বাস উল্লাহ ছিলেন একজন সিনেমা অন্তপ্রাণ মানুষ। তিনি সিনেমার চাকা সচল রাখতে নিয়মিতভাবেই টাকা লগ্নি করেছেন। নিজে অভিনয়ও করতেন।

বছর দুই ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কাউকে চিনতে পারতেন না। তার মৃত্যু ঢাকাই সিনেমার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।