দাম কমেছে পেঁয়াজের

বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে কমেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মগবাজারসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকা। তবে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। মিশরের পেঁয়াজ ৮৫ টাকা, চায়না পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া, দেশটির আমদানি করা পেঁয়াজ বাংলাদেশকে কম দামে দেয়ার প্রস্তাব ও নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ার কারণে বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমলেও সবজির বাজারে এখনও আগুন লেগে রয়েছে। মৌসুমে শীতের সবজির যে দাম থাকার কথা, বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে বেশি দামে। গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করায় দাম অস্বাভাবিক বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসার পর দাম কিছুটা কমে ১০০ টাকায় নেমে আসে। কিন্তু দুই সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে নতুন দেশি পেঁয়াজ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় ওঠে যায়। এরপর গত সপ্তাহে তা আবার ১৪০-১৫০ টাকায় নেমে আসে।

তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখনো পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি। মনিপুর থেকে কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘পেঁয়াজের ভরা মৌসুম এখন। এ সময় থাকার কথা ৩০ থেকে ৪০ টাকা। কিন্ত এখন ১০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এখনও দাম বেশি বলে মনে করি।’ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শশার ও পেঁপের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। করলা ৫০ থেকে ৭০, দেশি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া ভালো মানের শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ফুলকপি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। মুলা পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। আর নতুন গোল আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শালগম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। বেগুন পাওয়া যাচ্ছে ৪০-৫০ টাকার মধ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.